বিদেশে কাজ খুঁজছেন? প্রোফাইল যাচাই হওয়াটা কেন সবচেয়ে জরুরি
দক্ষতা থাকলেই হয় না, প্রমাণ করার মতো কিছু লাগে। যাচাই করা প্রোফাইল কী, আর কেন সেটা কাজে লাগে।
বিদেশে কাজের জন্য আবেদন করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি যে কথাটা শুনি, সেটা হলো কাগজপত্র ঠিক আছে তো? প্রশ্নটা ছোট মনে হলেও এর ওপরেই অনেক কিছু আটকে থাকে।
একজন দক্ষ ওয়েল্ডার দশ বছর গালফে কাজ করেছেন। কিন্তু তার হাতে যা আছে তা হলো একটা পুরনো সিভি, কয়েকটা ছবি আর মুখের কথা। নিয়োগদাতা যখন যাচাই করতে চান, তখন প্রমাণ করার মতো কিছু থাকে না। ফলে দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও তিনি পেছনের সারিতে চলে যান।
যাচাই করা প্রোফাইল আসলে কী
যাচাই করা প্রোফাইল মানে শুধু নাম আর ছবি নয়। এর মানে হলো আপনার কাজের ধরন, কোন কোন দেশে কাজ করেছেন, কত বছরের অভিজ্ঞতা, কী কী সনদ আছে, পাসপোর্টের অবস্থা কী, এসব এক জায়গায় সাজানো আছে এবং কেউ একজন সেটা দেখে নিশ্চিত করেছে।
নিয়োগদাতার দিক থেকে ভাবুন। তার সামনে দুইশো আবেদন। যেটায় তথ্য পরিষ্কার আর যাচাই করা, সেটা আগে খোলা হবে। এটা ন্যায্য না অন্যায্য সেই তর্কে না গিয়ে বলা যায়, বাস্তবতা এটাই।
আমরা কী করছি
Bdeshi-তে আমরা এই জায়গাটা ধরার চেষ্টা করছি। একজন কর্মী নিজের প্রোফাইল বানান, কাজের অভিজ্ঞতা আর সনদ যোগ করেন, আমাদের টিম সেটা দেখে যাচাই করে। যাচাই শেষ হলে প্রোফাইলে ব্যাজ বসে, আর সেই প্রোফাইল এজেন্সি ও নিয়োগদাতাদের সামনে যায়।
এখানে কোনো জাদু নেই। যা আছে তা হলো তথ্য গুছিয়ে রাখা আর সেটা বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা। কিন্তু এই সাধারণ কাজটাই অনেকের জন্য বড় পার্থক্য তৈরি করে।
শুরু করবেন কীভাবে
প্রোফাইল বানাতে টাকা লাগে না। bdeshiexperts.com এ গিয়ে নিবন্ধন করুন, তথ্য দিন, কাগজ আপলোড করুন। বাকিটা আমাদের কাজ।
একটা অনুরোধ, তথ্য দেওয়ার সময় বাড়িয়ে বলবেন না। যাচাইয়ের সময় সেটা ধরা পড়ে, আর তাতে নিজেরই ক্ষতি।